Source: Shamokal
Dated: 13-05-2012
ক্যারিয়ার গড়ার ক্ষেত্রে যে ক'টি পেশা শিক্ষার্থীরা বেশি পছন্দ করে থাকে তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং। বিএসসির পাশাপাশি ডিপেল্গামা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ আছে। এর মূল কারণ হচ্ছে, এ পেশায় দ্রুত চাকরি হয় এবং বেতনও পাওয়া যায় বেশি। শুধু তাই নয়, এই ডিগ্রি অর্জন করার পর চাকরি না করেও যে কেউ ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে। এই সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে উচ্চ শিক্ষা নেওয়া এক সময় অনেক কঠিন ব্যাপার হলেও এখন কর্মক্ষেত্রের ব্যাপকতার পাশাপাশি শিক্ষা গ্রহণের বিষয়টিও অনেক সহজ হয়েছে। গতানুগতকি শিক্ষার ধারা পাল্টে যাওয়ার কারণে মেধাবীসহ সাধারণ শিক্ষার্থী সবার কাছেই এখন এসব ডিগ্রির গুরুত্ব বেড়েছে। এর কারণ হচ্ছে, এতে ডিগ্রির পাশাপাশি চাকরির নিশ্চয়তা রয়েছে। চাহিদার তুলনায় এ পেশায় যোগ্যপ্রার্থীর সংখ্যা বাংলাদেশে অনেক কম। আধুনিক বিশ্বে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়টি সর্বাধিক গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মানুষ কিন্তু সে তুলনায় বাড়ছে না জমি। তাই আধুনিক সময়ে বাড়তি জনসংখ্যার আবাসন সমস্যা নিরসনে নির্মিত হচ্ছে বহুতল ভবন। তৈরি হচ্ছে সড়ক, ব্রিজ, বিল্ডিং। আর এসব তৈরির মূল নেপথ্য নায়ক হচ্ছে সিভিল ইঞ্জিনিয়াররা। বাংলাদেশে বিভিন্ন নির্মাণশিল্পের দ্রুত বিকাশ ঘটে চলেছে। বিশ্বমানের এসব শিল্পের কাতারে বাংলাদেশ ইতিমধ্যেই নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছে। ফলে এসব ক্ষেত্রে প্রয়োজন পড়ছে দক্ষ প্রযুক্তিজ্ঞানসমৃদ্ধ সিভিল ইঞ্জিনিয়ারদের। সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে নিজের ক্যারিয়ার গড়তে হলে একজন প্রার্থীকে অবশ্যই সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং টেকনোলজিতে চার বছর মেয়াদি ডিপেল্গামা ডিগ্রি অর্জন করতে হবে। এটি আট সেমিস্টারে সম্পন্ন করা যাবে। প্রতি সেমিস্টার ছয় মাস মেয়াদি। সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং সম্পন্ন করে শিক্ষার্থী বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি পলিটেকনিকে জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর পানি উন্নয়ন বোর্ড, এলজিইডি, রেলওয়ে, রিয়েল এস্টেট, বিআরটিএ, সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, মোবাইল ফোন কোম্পানির টাওয়ার নির্মাণে উপ-প্রকৌশলী হিসেবে এবং নিজস্ব নির্মাণ ব্যবসা প্রতিষ্ঠায় শিক্ষার্থীরা ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ পাবেন। সিভিল ইঞ্জিনিয়ারদের আধুনিক সব প্রযুক্তি সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা থাকতে হয়। তাই মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করতে চাই আধুনিক ক্যাম্পাস, দক্ষ ফ্যাকাল্টি। বিশেষ করে প্রতিষ্ঠানের উপযুক্ত ভৌত অবকাঠামোসহ উলিল্গখিত সুযোগ-সুবিধার সবটুকই আছে এনআইটিতে। তাই এখান থেকে পাস করা ছাত্রছাত্রীদের চাকরির বাজারে চাহিদা রয়েছে। শিক্ষকরা প্রত্যেকেই সংশিল্গষ্ট অঙ্গনে অত্যন্ত দক্ষ ও অভিজ্ঞ। ফুলটাইম এসব শিক্ষকদের সঙ্গে মনিটরিংয়ের জন্য রয়েছেন দেশের খ্যাতিমান কিছু পার্ট টাইম শিক্ষক এবং তত্ত্বাবধানে আছেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও প্রফেশনালরা। শিক্ষকদের জন্য রয়েছে পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা, যে কারণে দক্ষ শিক্ষকরা আগ্রহের সঙ্গে এখানে যুক্ত হন। এদের ক্লাসরুম ও প্রয়োজনীয় উপকরণ আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সংবলিত। প্রজেক্টর ব্যবহারের সুযোগসহ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ক্লাস রুম। একই সঙ্গে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর সিরিয়াসনেস, তাদের আগ্রহ, পারফর্মেন্স ইত্যাদি মনিটরিং করা হয়। যোগাযোগ :ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ারিং টেকনোলজি (এনআইইটি), ২৯/১, কারওয়ান বাজার, ঢাকা। ফোন :০১৯৭১৩৩৯৯৯৯, ০১৭৩১২২০০৯৯।