FEEDBACK
 

News & Events

Select: All, None

  • ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিংএ ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু

    Source: ক্যাম্পাস নিউজ২৪বিডি.কম Dated: 15-05-2012 ২০১২-২০১৩ শিক্ষাবর্ষে ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিংএ বাংলাদেশের ৪৯ টি সরকারী পলিটেকনিকে ছাত্রছাত্রী ভর্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড। অন্যান্য বছরের চেয়ে এবার অনেকটাই এগিয়ে গেল বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড।প্রতি বছর ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয় সকল কলেজে ভর্তি প্রক্রিয়া শেষ হলে। ২০১১-২০১২ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয় ২৩-০৬-২০১১ইং থেকে। এ বছর ২০১২-২০১৩ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয় ১২-০৫-২০১২ইং থেকে ।২০১২-২০১৩ শিক্ষাবর্ষে ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিংএ বাংলাদেশের ৪৯ টি সরকারী পলিটেকনিকে ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে ভর্তি হতে হবে। একজন শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ ১০ টি ক্যাম্পাস চয়েজ দিতে পারবে এবং একটি ক্যাম্পাস পরীক্ষার কেন্দ্র হিসেবে চয়েজ করে ঐ কেন্দ্রে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহন করতে পাড়বে। ২০১০, ২০১১ ও ২০১২ সালে দেশের যে কোন শিক্ষা বোর্ড এবং সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীগণ সাধারণ গণিত বা উচ্চতর গণিতে জিপি ৩ সহ কমপক্ষে জিপিএ ৩.৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা ২০১২-২০১৩ শিক্ষাবর্ষে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে। ভর্তির জন্য ছাত্রছাত্রীদের বয়স ও পাসের সন শিথিল যোগ্য। সরকারি প্রতিষ্ঠানে ভর্তি পরীক্ষার জন্য যোগ্য প্রাথী বাছাই , ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশ পত্র প্রণয়ন , ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণ ও ফলাফলপ্রস্তুত সহ যাবতীয় কার্যμম সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তর / দপ্তর / তার প্রশাসনিক পরিদপ্তর / প্রতিষ্ঠান গ্রহণ করবেন । সরকারি প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে এসএসসি / এসএসসি (ভোক) / দাখিল / দাখিল (ভোক) / সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ছাত্র/ছাত্রীদের ভর্তির ক্ষেত্রে ফলাফলের (জিপিএ/নম্বর) থেকে ৫০ নম্বর এবং লিখিত পরীক্ষার জন্য ৫০ নম্বর মোট ১০০ নম্বর এর ভিত্তিতে এবং সরকার কর্তৃক নির্ধারিত কোটা অনুসরণ পূর্বক মেধা তালিকা তৈরি করে মেধার ভিত্তিতে প্রথম পর্বে ভর্তি করা হবে। তবে সমান পয়েন্ট পাওয়ার প্রার্থীদের বাছাই এর ক্ষেএে পর্যায়μমে সাধারণ গণিত অথবা উচ্চতর গণিত/জীব বিজ্ঞান, ইংরেজি, পদার্থ বিজ্ঞান ও রসায়ন বিজ্ঞান বিষয়ে বেশি পয়েন্ট পাওয়া প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে। ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ওয়েব সাইটে www.bteb.gov.bd  এবং অনলাইনে আবেদন করা যাবে www.techedu.gov.bd  এই ওয়েব সাইট থেকে।

     

  • পাবনা মেডিকেল কলেজে ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা শুরু ২০ ই মে

    Source: ক্যাম্পাস নিউজ২৪বিডি.কম Dated: 15-05-2012 আগামী ২০ ই মে থেকে পাবনা মেডিকেল কলেজের ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থীদের ১ম মূল্যায়নমূলক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে । ২০ তারিখে মেডিকেল কলেজের লেকচার গ্যালারীতে সকাল ১০.০০ টায় ফার্মাকোলজি লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে ১ম মূল্যায়নমূলক পরীক্ষা শুরু হবে । ৭ তারিখ মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে শেষ হবে ।

     

  • ডিআইআইটি বৃত্তি নিয়ে পড়ার সুযোগ

    Source: Shamokal Dated: 14-05-2012 দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন আইটিনির্ভর হয়ে পড়ছে। ফলে আইটি সেক্টর হয়ে উঠেছে ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্টের জন্য তরুণ প্রজন্মের প্রথম পছন্দ। আইটি সেক্টরের বিভিন্ন ধরনের বিশেষায়িত শাখা যেমন : হার্ডওয়্যার মেইনটেন্যান্স, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, নেটওয়ার্ক ম্যানেজমেন্ট, ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সেক্টরই স্বপ্নময় সম্ভাবনায় সমৃদ্ধ। কিন্তু দরকার বিশেষায়িত দক্ষতা ও জ্ঞানের গভীরতা এবং বাস্তবমুখী শিক্ষার প্রায়োগিক ক্ষমতা। আমাদের দেশে বাস্তবমুখী শিক্ষা গ্রহণের জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক দক্ষ ও মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অভাবই এ ক্ষেত্রে প্রধান অন্তরায় হয়ে দেখা দিয়েছে। এসব দিককে সামনে রেখে ডিআইআইটি বেশকিছু কোর্স চালু করেছে। কোর্সগুলো সম্পূর্ণভাবে ব্যবহারিক ক্লাসভিত্তিক যা সার্টিফায়েড প্রফেশনাল প্রশিক্ষকদের সার্বিক তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়ে থাকে। রয়েছে প্রশিক্ষকদের সার্বক্ষণিক ও সার্বিক তত্ত্বাবধানে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কোর্স সমাপ্তি, পরীক্ষা গ্রহণ ও ফল মূল্যায়নের নিশ্চয়তা। নিয়মিত থিওরি ক্লাসের সঙ্গে পর্যাপ্ত প্রাকটিক্যাল ক্লাস ও কঠোরভাবে মান নিয়ন্ত্রণের কারণে এখান থেকে পাস করা শিক্ষার্থীদের কর্মজীবনে সফলতার হার শতভাগ। এ ছাড়া রয়েছে নিজস্ব জব পোর্টাল লড়নংনফ.পড়স-এর মাধ্যমে চাকরি প্রাপ্তিতে সহায়তা। সার্বক্ষণিক জেনারেটর, পাঠাগার, অত্যাধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন আন্তর্জাতিক মানের কম্পিউটার ল্যাবসমৃদ্ধ সুবিশাল ক্যাম্পাস, যা ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষার পরিবেশ করে নিশ্চিত ও যুগোপযোগী। কর্মব্যস্তদের জন্য রয়েছে সান্ধ্যকালীন ক্লাসের ব্যবস্থা। মেধাবীদের জন্য রয়েছে বিভিন্ন মেয়াদে শিক্ষা বৃত্তি। প্রফেশনাল প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে ডিআইআইটি গত ১৪ বছরে কয়েক হাজার প্রশিক্ষণার্থীকে কর্মোপযোগী করে গড়ে তুলেছে, যাদের অনেকেই এখন নিজ নিজ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত। তথ্যপ্রযুক্তিতে ক্যারিয়ার গড়তে ও অন্য পেশায় দ্রুত সফল হতে হলে তথ্যপ্রযুক্তিতে অবশ্যই জ্ঞান অর্জন করতে হবে। ছাত্র, শিক্ষক, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী, গৃহিণীসহ সব শ্রেণী-পেশার মানুষের দৈনন্দিন কাজে কম্পিউটার নিত্যসঙ্গী। সফলতার সঙ্গে জীবন চলার পথে কম্পিউটার শিক্ষার বিকল্প নেই। তাই তথ্যপ্রযুক্তিতে দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ডেফোডিল ইনস্টিটিউট অব আইটি (ডিআইআইটি) স্কলারশিপে প্রশিক্ষণার্থীদের সুবিধাজনক সময়ে কম্পিউটার বিষয়ে বিভিন্ন কোর্সে (বেসিক কম্পিউটার অ্যাপিল্গকেশন, ওয়েব ডিজাইন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট, কম্পিউটার হার্ডওয়ার মেইন্টেনেন্স এবং গ্রাফিক্স ডিজাইন) প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। ভর্তির নূ্যনতম যোগ্যতা : এসএসসি। যোগাযোগ : ডিআইআইটি: বাড়ি-০৭, রোড-১৪ (নতুন), ২৯ (পুরনো), ধানমণ্ডি, ঢাকা। ফোন : ৯১১৭২০৫, ০১৭১৩৪৯৩১৬৩।

  • একাদশ শ্রেণীর ভর্তিপ্রক্রিয়া শুরু প্রথম দিনে অনলাইনে আবেদন ১৫ হাজার

    Source: Prothom Alo Dated: 13-05-2012 গতকাল শনিবার থেকে দেশের কলেজগুলোতে একাদশ শ্রেণীর ভর্তির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। প্রথম দিনে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত শুধু অনলাইনে ১৫ হাজার আবেদন জমা পড়েছে। যেসব কলেজে ৬০০ আসন আছে, এবার সেগুলোর বাধ্যতামূলকভাবে অনলাইনে ভর্তির কাজ করতে হচ্ছে। আর তিন শতাধিক আসন থাকা কলেজগুলোতেও সনাতন পদ্ধতির পাশাপাশি অনলাইনে আবেদন করা যাচ্ছে। বাকিগুলো সনাতন পদ্ধতিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করতে পারবে। এবার শুধু ঢাকা বোর্ডের অধীন ১৫২টি কলেজে অনলাইনে ভর্তির কাজ চলছে। এর মধ্যে ৪২টি কলেজ ঢাকা মহানগরে অবস্থিত। শুধু টেলিটক প্রি-পেইড মুঠোফোন থেকে আবেদন করা যাচ্ছে। আবেদনের পদ্ধতি ইতিমধ্যে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হয়েছে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটেও আবেদনের পদ্ধতি দেওয়া আছে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের জ্যেষ্ঠ সিস্টেম অ্যানালিস্ট মনজুরুল কবীর বলেন, অনলাইনে ভর্তির এই প্রক্রিয়া চালুর ফলে শিক্ষার্থীরা মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে ভর্তির সুযোগ পাবে। আগামী ৬ জুন পর্যন্ত ভর্তির জন্য আবেদন বা খুদে বার্তা গ্রহণ করা হবে। তবে এসএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণের ক্ষেত্রে যাদের ফল পরিবর্তন হবে, তারা ভর্তির আবেদনের সময় পাবে আগামী ১৪ জুন পর্যন্ত। বিলম্ব ফি ছাড়া ২৮ জুন ও বিলম্ব ফিসহ ভর্তির শেষ সময় ১২ জুলাই। ক্লাস শুরু হবে ১ জুলাই থেকে। আগের মতোই জিপিএর ভিত্তিতে ভর্তি করা হবে। কোনো ভর্তিপরীক্ষা হবে না। ভর্তি হতে ইচ্ছুক ছাত্রছাত্রীদের কাছ থেকে আবেদনপত্রের ফরম ও ভর্তি ব্যবস্থাপনার ব্যয় বাবদ শিক্ষার্থীপ্রতি ১২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। কোনো ছাত্রছাত্রীর কাছ থেকে অনুমোদিত ফির অতিরিক্ত অর্থ গ্রহণ করা যাবে না এবং সব ফি রশিদের মাধ্যমে গ্রহণ করতে হবে। তবে কোনো কোনো অভিভাবক বলছেন, যেসব কলেজে অনলাইনে আবেদন নেওয়া হচ্ছে, সেগুলোতে মুঠোফোনের খুদে বার্তা খরচ ও বোর্ডের খরচের বাইরে কলেজের জন্য আলাদা খরচ নেওয়া যৌক্তিক নয়। কারণ, অনলাইনে আবেদনের যাচাই-বাছাইয়ে কলেজগুলোর সেই অর্থে ভূমিকা থাকবে না। টেলিটকের সঙ্গে মিলে বোর্ড কর্তৃপক্ষ এই কাজটি করবে।

     

  • ইউনেসকো-ল'রিয়েল ইয়াং উইমেন সায়েন্টিস্ট ফেলোশিপ ২০১৩

    Source: Kalerkantha Dated: 13-05-2012   ইউনেসকো ও ল'রিয়েল বিশ্বব্যাপী বিজ্ঞান শিক্ষা সম্প্রসারণের জন্য লাইফ সায়েন্সে যুব মহিলাদের জন্য আন্তর্জাতিক ফেলোশিপ ২০১৩ ঘোষণা করেছে। সারা বিশ্বে ১৫ জনকে ফেলোশিপ দেওয়া হবে এবং প্রত্যেককে ৪০ হাজার মার্কিন ডলার দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীর বয়স ৩৫ বছরের নিচে হতে হবে। লাইফ সায়েন্সে পিএইচডি বা সমমানের ডিগ্রিধারীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। www.unesco.org/en/fellowships/loreal    ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করে ফরম পূরণ করে এবং সব কাগজপত্রের তিন সেট বাংলাদেশ ইউনেসকো জাতীয় কমিশনের (ব্যানবেইস ভবন, ১ এশিয়ান হাইওয়ে, পলাশী-নীলক্ষেত, ঢাকা-১২০৫) কার্যালয়ে ১৫ জুনের মধ্যে জমা দিতে হবে।

     

  • স্কলারশিপশ্রীলঙ্কা সরকারের বৃত্তি ঘোষণা

    Source: Kalerkantha Dated: 13-05-2012   আন্ডারগ্র্যাজুয়েট এবং পোস্টগ্র্যাজুয়েট পর্যায়ে পড়ার জন্য ১০০টি বৃত্তি প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে শ্রীলঙ্কা সরকার। দেশজুড়ে ১৭টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং ৭টি পোস্টগ্র্যাজুয়েট ইনস্টিটিউটে পড়ার সুযোগ তৈরি হবে এতে। প্রয়োজনীয় তথ্য ও নির্ধারিত আবেদন ফরম পাওয়া যাবে www.mohe.gov.lk  ওয়েবসাইটে। ওয়েবসাইটের নির্ধারিত আবেদন ফরম পূরণ করে ১৫ মে তারিখের (অফিস চলাকালীন সময়) মধ্যে মোহাম্মদ মাঈনউদ্দিন চৌধুরী, উপসচিব, শিক্ষা মন্ত্রণালয়_ এ ঠিকানায় ডাকযোগে অথবা বাংলাদেশ সচিবালয়ের ২ নম্বর গেটের ৯ নম্বর কাউন্টারে সরাসরি পেঁৗছাতে হবে। জুবায়ের হোসেন

  • পড়ার বিষয় সিভিল ইঞ্জিরিয়ারিং

    Source: Shamokal Dated: 13-05-2012   ক্যারিয়ার গড়ার ক্ষেত্রে যে ক'টি পেশা শিক্ষার্থীরা বেশি পছন্দ করে থাকে তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং। বিএসসির পাশাপাশি ডিপেল্গামা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ আছে। এর মূল কারণ হচ্ছে, এ পেশায় দ্রুত চাকরি হয় এবং বেতনও পাওয়া যায় বেশি। শুধু তাই নয়, এই ডিগ্রি অর্জন করার পর চাকরি না করেও যে কেউ ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে। এই সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে উচ্চ শিক্ষা নেওয়া এক সময় অনেক কঠিন ব্যাপার হলেও এখন কর্মক্ষেত্রের ব্যাপকতার পাশাপাশি শিক্ষা গ্রহণের বিষয়টিও অনেক সহজ হয়েছে। গতানুগতকি শিক্ষার ধারা পাল্টে যাওয়ার কারণে মেধাবীসহ সাধারণ শিক্ষার্থী সবার কাছেই এখন এসব ডিগ্রির গুরুত্ব বেড়েছে। এর কারণ হচ্ছে, এতে ডিগ্রির পাশাপাশি চাকরির নিশ্চয়তা রয়েছে। চাহিদার তুলনায় এ পেশায় যোগ্যপ্রার্থীর সংখ্যা বাংলাদেশে অনেক কম। আধুনিক বিশ্বে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়টি সর্বাধিক গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মানুষ কিন্তু সে তুলনায় বাড়ছে না জমি। তাই আধুনিক সময়ে বাড়তি জনসংখ্যার আবাসন সমস্যা নিরসনে নির্মিত হচ্ছে বহুতল ভবন। তৈরি হচ্ছে সড়ক, ব্রিজ, বিল্ডিং। আর এসব তৈরির মূল নেপথ্য নায়ক হচ্ছে সিভিল ইঞ্জিনিয়াররা। বাংলাদেশে বিভিন্ন নির্মাণশিল্পের দ্রুত বিকাশ ঘটে চলেছে। বিশ্বমানের এসব শিল্পের কাতারে বাংলাদেশ ইতিমধ্যেই নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছে। ফলে এসব ক্ষেত্রে প্রয়োজন পড়ছে দক্ষ প্রযুক্তিজ্ঞানসমৃদ্ধ সিভিল ইঞ্জিনিয়ারদের। সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে নিজের ক্যারিয়ার গড়তে হলে একজন প্রার্থীকে অবশ্যই সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং টেকনোলজিতে চার বছর মেয়াদি ডিপেল্গামা ডিগ্রি অর্জন করতে হবে। এটি আট সেমিস্টারে সম্পন্ন করা যাবে। প্রতি সেমিস্টার ছয় মাস মেয়াদি। সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং সম্পন্ন করে শিক্ষার্থী বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি পলিটেকনিকে জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর পানি উন্নয়ন বোর্ড, এলজিইডি, রেলওয়ে, রিয়েল এস্টেট, বিআরটিএ, সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, মোবাইল ফোন কোম্পানির টাওয়ার নির্মাণে উপ-প্রকৌশলী হিসেবে এবং নিজস্ব নির্মাণ ব্যবসা প্রতিষ্ঠায় শিক্ষার্থীরা ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ পাবেন। সিভিল ইঞ্জিনিয়ারদের আধুনিক সব প্রযুক্তি সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা থাকতে হয়। তাই মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করতে চাই আধুনিক ক্যাম্পাস, দক্ষ ফ্যাকাল্টি। বিশেষ করে প্রতিষ্ঠানের উপযুক্ত ভৌত অবকাঠামোসহ উলিল্গখিত সুযোগ-সুবিধার সবটুকই আছে এনআইটিতে। তাই এখান থেকে পাস করা ছাত্রছাত্রীদের চাকরির বাজারে চাহিদা রয়েছে। শিক্ষকরা প্রত্যেকেই সংশিল্গষ্ট অঙ্গনে অত্যন্ত দক্ষ ও অভিজ্ঞ। ফুলটাইম এসব শিক্ষকদের সঙ্গে মনিটরিংয়ের জন্য রয়েছেন দেশের খ্যাতিমান কিছু পার্ট টাইম শিক্ষক এবং তত্ত্বাবধানে আছেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও প্রফেশনালরা। শিক্ষকদের জন্য রয়েছে পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা, যে কারণে দক্ষ শিক্ষকরা আগ্রহের সঙ্গে এখানে যুক্ত হন। এদের ক্লাসরুম ও প্রয়োজনীয় উপকরণ আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সংবলিত। প্রজেক্টর ব্যবহারের সুযোগসহ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ক্লাস রুম। একই সঙ্গে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর সিরিয়াসনেস, তাদের আগ্রহ, পারফর্মেন্স ইত্যাদি মনিটরিং করা হয়। যোগাযোগ :ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ারিং টেকনোলজি (এনআইইটি), ২৯/১, কারওয়ান বাজার, ঢাকা। ফোন :০১৯৭১৩৩৯৯৯৯, ০১৭৩১২২০০৯৯।

  • এসএসসির পর পড়ার বিষয় ব্রিটিশ চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট

    Source: Shamokal Dated: 10-05-2012 এসএসসি পাসের পর ক্যারিয়ার গড়ার দারুণ সুযোগ আছে এফআইএ এবং এসিসিএ প্রোগ্রামে। এ ডিগ্রি দুটি হচ্ছে জাতিসংঘের স্বীকৃত বিশ্বের সর্ববৃহৎ অ্যাকাউন্টিং বডি। যে কোনো ডিসিপ্লিন থেকেই এসএসসি, এইচএসসি ও গ্র্যাজুয়েশন কমপ্লিট করেই এসিসিএ শুরু করা যায়। যাদের গ্র্যাজুয়েশন হয়নি, কেবল এসএসসি বা এইচএসসি শেষ হয়েছে তারা প্রথমে এফআইএর মাধ্যমে এসিসিএতে যাত্রা শুরু করবেন। এক বছরে এফআইএ শেষ করে সরাসরি এসিসিএ পার্ট ২-এ চলে যেতে পারবেন তারা। পরে দেড় বছরে এসিসিএ পার্ট-২ শেষ করলে ইউকের বিশ্বখ্যাত অক্সফোর্ড ব্রুকস ইউনিভার্সিটিতে একটি থিসিস জমা দিলে অ্যাপ্লাইড অ্যাকাউন্টিংয়ে অনার্স ডিগ্রি হয়ে যাবে অর্থাৎ এক+দেড় = আড়াই বছরেই যে কেউ দেশে বসেই ইংল্যান্ডের দুটি ডিগ্রি (এফআইএ+অনার্স ইন অ্যাপ্লাইড অ্যাকাউন্টিং) অর্জন করতে পারবেন। সব পরীক্ষাই হবে ব্রিটিশ কাউন্সিলে। বাংলাদেশে ব্রিটিশ কাউন্সিলে বসে যে পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দিচ্ছেন আর যে পরীক্ষার্থী ইংল্যান্ডে বসে পরীক্ষা দিচ্ছেন তাদের মধ্যে শিক্ষাগত যোগ্যতার কোনো তফাত নেই। দেশে এবং বিদেশে উচ্চ পদে চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে দারুণ ভূমিকা রাখতে পারে এ ডিগ্রিটি। আপনি জেনে অবাক হবেন, কেউ এফআইএ অথবা এসিসিএ কমপ্লিট করার সঙ্গে সঙ্গে তার সিভিটি পেঁৗছে যায় এসিসিএর মূল জায়গায়। সেখান থেকে সারাবিশ্বে টয়োটা, ইউনিলিভার, পিঅ্যান্ডজি, বিএটির মতো ৮ হাজার ৪২৪টি জব প্রোভাইডারের কাছে সেসব সিভি পেঁৗছে যায়। ওই প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের চাহিদামতো প্রত্যাশিত প্রার্থীদের চাকরির জন্য নির্বাচিত করে সারাবিশ্ব থেকে। দেখা গেছে, আমাদের দেশের অভিভাবকরাই অধিকাংশ ক্ষেত্রে সন্তানের ক্যারিয়ার প্ল্যানিং করে দেন। এক্ষেত্রে বেশিরভাগ অভিভাবকই গতানুগতিক ধারায় সন্তানকে বিবিএ, এমবিএ, অনার্স বা মাস্টার্সে পড়াশোনায় উৎসাহিত করেন। তারপর যেই ভাবা সেই কাজ। দীর্ঘ ৮-৯ বছরের পড়াশোনা শেষে রেজাল্ট বের হলে তাকে খুঁজতে হয় চাকরি। কেউ কেউ চাকরি পেলেও অনেক ক্ষেত্রে তাও প্রত্যাশিত নয়। অধিকাংশ ডিগ্রিধারী বেকার ঘুরে বেড়ান। দীর্ঘ সময় ও অর্থ অপচয় শেষে অধিকাংশ শিক্ষার্থীই হতাশায় ডুবে যান। কিন্তু শিক্ষার্থীরা যদি শুরুতেই একটু বিচার-বিবেচনা করে এমন পড়াশোনা বেছে নিতে পারেন_ যেখানে তাকে চাকরির পেছনে ছুটতে হবে না, বরং চাকরিই যেন তার পেছনে ছুটবে। এফআইএ এবং এসিসিএ হলো তেমনই একটি ডিগ্রি। মাত্র ৩-৪ বছরে ৩-৪ লাখ টাকায় দেশে বসেই এ বিশ্বখ্যাত ডিগ্রিগুলো অর্জন করা যায়। ইতিমধ্যেই সাইফুর'স ইউনিভার্সিটি কলেজ থেকে অনেক শিক্ষার্থী পাস করেছেন। এখানে পাস গ্যারান্টি স্কিমে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়ে থাকে। যোগাযোগ : সাইফুর'স ইউনিভার্সিটি কলেজ, ৬৯/বি পান্থপথ, ঢাকা। ফোন : ০১৯১২১০১৪৭৩, ০১১৯৯৯৮২২০২।

  • গ্রিনিচ ইউনিভার্সিটিতে উচ্চশিক্ষা

    Source: Shamokal Dated: 10-05-2012 প্রতিটি ভালো ছাত্রের স্বপ্ন হচ্ছে বিদেশে, বিশেষ করে যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, জার্মানিসহ ভালো বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি অর্জন। তবে স্বপ্ন পূরণের প্রধান অন্তরায় হচ্ছে বিপুল খরচ, যা আমাদের দেশের তুলনায় প্রায় দশগুণ। তাই ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও সবার পক্ষে বিদেশে গিয়ে পড়াশোনা সম্ভব হয় না। একদিকে বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি অর্জনের প্রবল আকাঙ্ক্ষা, অন্যদিকে আর্থিক অসচ্ছলতা_ এ বাস্তবতাকে উপলব্ধি করে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপদানের লক্ষ্যে একটি সহজ সুযোগ সৃষ্টি করেছে ডেফোডিল ইনস্টিটিউট অব আইটি (ডিআইআইটি)। শিক্ষা পদ্ধতি : এ শিক্ষা ব্যবস্থায় ব্রিটিশ কাউন্সিলের তত্ত্বাবধানে ফাইনাল পরীক্ষাগুলো অনুষ্ঠিত হয়। প্রশ্নপত্র তৈরি ও উত্তরপত্র দেখা হয় যুক্তরাজ্যে। এর সব ক্লাস অনুষ্ঠিত হয় ডিআইআইটিতে। সার্টিফিকেট : এ শিক্ষা ব্যবস্থায় যুক্তরাজ্যের গ্রিনিচ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএসসি অনার্স ইন ইনফরমেশন টেকনোলজি সার্টিফিকেট দেওয়া হয়। ক্রেডিট ট্রান্সফার : যুক্তরাজ্যসহ বিশ্বের সহস্রাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্রেডিট ট্রান্সফার করার সুযোগ রয়েছে। ইতিমধ্যে ডিআইআইটি থেকে দুই সহস্রাধিক শিক্ষার্থী ক্রেডিট ট্রান্সফার করে যুক্তরাজ্য, কানাডা, জার্মানি, অস্ট্রেলিয়াসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশের নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছে। ভর্তির যোগ্যতা : যে কোনো গ্রুপ এইচএসসি/এ-লেভেল অথবা সমমান পাস। তা ছাড়া চার বছরমেয়াদি কম্পিউটার ডিপ্লোমাধারীরা দু'বছরে বিএসসি (অনার্স) ইন ইনফরমেশন টেকনোলজি প্রোগ্রামটি সম্পন্ন করতে পারবে। খরচ : মাত্র সাড়ে চার থেকে পাঁচ লাখ টাকা, যা মাসিক (৫০০০ টাকা) কিস্তিতে পরিশোধ করা যাবে। চাকরি : পাসকৃত গ্র্যাজুয়েটদের কর্মসংস্থানের হার শতভাগ, তা ছাড়া ডিআইআইটির শিক্ষার্থীরা ডেফোডিল গ্রুপের ১৭টি প্রতিষ্ঠানে এবং বিভিন্ন ব্যাংক, সরকারি, বেসরকারি ও মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কর্মরত। ডিআইআইটির প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পরিচালিত সফটওয়্যার ফার্মে কাজ করার বিশেষ সুযোগের পাশাপাশি শিক্ষাকালীন অবস্থায় আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে ঘরে বসে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে পারে। ক্যাম্পাস : ডিআইআইটিতে রয়েছে প্রায় ৫ হাজার বই সংবলিত আধুনিক লাইব্রেরি এবং শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে ওয়াইফাই ক্যাম্পাস জোন ব্যবহারের সুবিধা। এ ছাড়া রয়েছে শতাধিক কম্পিউটার সংবলিত আধুনিক ল্যাব। স্কলারশিপ : মেধাবী ও অসচ্ছলদের জন্য রয়েছে ১০-১০০ শতাংশ পর্যন্ত ডেফোডিল ফাউন্ডেশনের স্কলারশিপের সুবিধা। মুক্তিযোদ্ধা, স্কুল শিক্ষকের সন্তান ও মেয়েদের জন্য রয়েছে বিশেষ স্কলারশিপের সুবিধা। ভর্তির সেশন : ডেফোডিল ইনস্টিটিউট অব আইটিতে বছরে চারটি সেশনে (মার্চ, জুন, সেপ্টেম্বর ও ডিসেম্বর) এবং দুটি শিফটে (সকাল ও সন্ধ্যা) ভর্তি নেওয়া হয়। চাকরিজীবীরা সান্ধ্যকালীন শিফটে অংশগ্রহণ করতে পারে। বর্তমানে ডিসেম্বর ২০১১ সেশনে ভর্তির প্রক্রিয়া চলছে। যোগাযোগ : ডিআইআইটি: বাড়ি-০৭, রোড-১৪ (নতুন), ২৯ (পুরনো), ধানমণ্ডি, ঢাকা। ফোন : ৯১১৭২০৫, ০১৭১৩৪৯৩১৬৩।

  • রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড এসএসসি উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণে আবেদনের শেষ সময় ১৭ মে

    Source: Shamokal Dated: 09-05-2012 রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের এসএসসি পরীক্ষার উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণে আবেদনপত্র আহ্বান করা হয়েছে। সোমবার পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এসএমএ হুরাইরা সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। গতকাল মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়ে আবেদন করা যাবে আগামী ১৭ মে পর্যন্ত। শুধু টেলিটক প্রিপেইড মোবাইল থেকে এ আবেদন করা যাবে। এ জন্য মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে আরএসসি (জঝঈ) লিখে স্পেস দিয়ে লিখতে হবে আরএজে (জঅঔ)। এরপর স্পেস দিয়ে রোল নম্বর এবং আবার স্পেস দিয়ে সাবজেক্ট কোড লিখে এসএমএস করতে হবে ১৬২২২ নম্বরে। প্রতিটি বিষয় ও পত্রের জন্য ১২৫ টাকা ফি প্রযোজ্য। ফিরতি এসএমএসে একটি পিন নাম্বার দেওয়া হবে। তারপর মেসেজ অপশনে আরএসসি (জঝঈ) লিখে স্পেস দিয়ে ওয়াইইএস (ণঊঝ) লিখে স্পেস দিয়ে পিন নাম্বার লিখে আবারও একটি স্পেস দিয়ে যোগাযোগের মোবাইল নম্বর লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস করতে হবে। যেসব বিষয়ে দুটি পত্র (বাংলা ও ইংরেজি) রয়েছে সেসব বিষয়ে একটি একটি সাবজেক্ট কোডের (বাংলার জন্য ১০১, ইংরেজির জন্য ১০৭) বিপরীতে দুটি আবেদন হিসেবে গণ্য হবে এবং আবেদন ফি হিসেবে ২৫০ টাকা প্রযোজ্য হবে। একই এসএমএসে একাধিক বিষয়ের জন্য আবেদন করা যাবে। এক্ষেত্রে সাবজেক্ট কোড লিখে পর্যায়ক্রমে কমা দিয়ে লিখতে হবে।

Select: All, None